je7 বিশ্বাস করে, গেমিং হওয়া উচিত আনন্দের উৎস — চাপের নয়। আমরা চাই আপনি সবসময় নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকুন এবং মজার সাথে সীমাও মানুন।
je7 শুধু বিনোদন দেয় না — আপনার সুস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার জন্যও কাজ করে।
আপনার দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক ডিপোজিট ও বাজির সীমা নিজেই ঠিক করুন। সীমা পৌঁছালে je7 স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনাকে সতর্ক করবে।
ছোট বিরতি থেকে শুরু করে দীর্ঘ মেয়াদি কুলিং-অফ পিরিয়ড — যেকোনো সময় নিজেকে বিরতি দিন। এই সময়ে অ্যাকাউন্টে কোনো কার্যক্রম করা যাবে না।
নিজেকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বা স্থায়ীভাবে প্ল্যাটফর্ম থেকে বিরত রাখতে পারবেন। এটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর।
আপনার সম্পূর্ণ গেমিং ইতিহাস, ডিপোজিট-উইথড্র এবং সময় ব্যয়ের তথ্য দেখুন। নিজের অভ্যাস বুঝতে এটি সহায়ক।
je7-এ নিবন্ধনের সময় বয়স যাচাই বাধ্যতামূলক। ১৮ বছরের কম বয়সীরা কোনোভাবেই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে পারবে না।
গেমিং-সম্পর্কিত যেকোনো উদ্বেগে আমাদের সাপোর্ট টিম ২৪/৭ প্রস্তুত। সমস্যা মনে হলে দেরি না করে যোগাযোগ করুন।
je7 আপনাকে দেয় সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ। নিচের যেকোনো টুল ব্যবহার করে নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন।
নির্দিষ্ট সময়ে সর্বোচ্চ কত টাকা ডিপোজিট করবেন তা আগে থেকে ঠিক করুন।
প্রতিদিন কতক্ষণ খেলবেন সেটি নির্ধারণ করুন। সময় শেষে je7 আপনাকে লগআউট করবে।
৭ দিন থেকে স্থায়ী মেয়াদ পর্যন্ত অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় করুন। এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হয়।
দায়িত্বশীল খেলা মানে এমনভাবে গেমিং করা যাতে এটি আপনার জীবন, পরিবার বা অর্থনীতিকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত না করে। je7-এ আমরা বিশ্বাস করি গেমিং হলো বিনোদনের একটি রূপ — এটি কখনো আয়ের উৎস বা সমস্যার সমাধান হওয়া উচিত নয়।
বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং ক্রমেই জনপ্রিয় হচ্ছে। লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রতিদিন বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে সময় কাটান। কিন্তু সঠিক সচেতনতা না থাকলে বিনোদনমূলক গেমিং ধীরে ধীরে আসক্তিতে পরিণত হতে পারে। তাই je7 সবসময় দায়িত্বশীল খেলার উপর জোর দেয়।
মনে রাখুন: গেমিংয়ে জেতার কোনো নিশ্চয়তা নেই। প্রতিটি গেম সুযোগ-নির্ভর এবং হারার সম্ভাবনা সবসময় আছে। কেবল সেই টাকাই বাজি ধরুন যা হারিয়ে গেলেও আপনার জীবন প্রভাবিত হবে না।
je7-এ আমরা সক্রিয়ভাবে খেলোয়াড়দের গেমিং অভ্যাস পর্যবেক্ষণ করি। যদি কোনো খেলোয়াড়ের আচরণে উদ্বেগজনক পরিবর্তন দেখা যায়, আমাদের দল সেই ব্যক্তিকে সহায়তার প্রস্তাব দেয়।
দায়িত্বশীল খেলার জন্য কয়েকটি সহজ নিয়ম মেনে চললে গেমিং সবসময় আনন্দময় থাকবে:
গেমিং কখনো পরিবার, কাজ বা পড়াশোনার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত নয়। জীবনের মূল দায়িত্বগুলো সবার আগে।
নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে বুঝতে হবে গেমিং সমস্যাজনক হয়ে উঠছে। সঠিক সময়ে সচেতন হওয়া জরুরি:
হারানো টাকা ফেরত পেতে বারবার খেলার চেষ্টা করা
গেমিং বন্ধ করা কঠিন মনে হওয়া
পরিবার বা বন্ধুর কাছে গেমিং লুকিয়ে রাখা
গেমিংয়ের জন্য ঋণ নেওয়া বা ধার করা
কাজ বা পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে না পারা
গেম না খেলতে পারলে অস্থির বা বিরক্ত অনুভব করা
মানসিক চাপ কমাতে গেমিংয়ের দিকে ঝুঁকে পড়া
বাজেটের চেয়ে বেশি টাকা ব্যয় করা
এই লক্ষণগুলোর একটিও নিজের মধ্যে দেখলে সাথে সাথে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন অথবা সেলফ-এক্সক্লুশন টুল ব্যবহার করুন।
যেকোনো উদ্বেগ বা প্রশ্নে আমাদের দল ২৪/৭ আপনার পাশে আছে।
নিচের নির্দেশিকা অনুযায়ী আপনার গেমিং অভ্যাস কোথায় পড়ছে দেখুন:
je7-এ গেমিং মানে শুধু জেতার প্রতিযোগিতা নয় — এটি একটি নিরাপদ, আনন্দময় অভিজ্ঞতা। আজই যোগ দিন এবং দায়িত্বশীলভাবে খেলুন।